এশিয়ার সেরা ২০টি সমুদ্রসৈকতের তালিকায় জায়গা হয়নি বাংলাদেশের কক্সবাজারের। ভ্রমণবিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’-এর ২০২৬ সালের পাঠক জরিপভিত্তিক তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে শ্রীলঙ্কার আরুগাম বে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে থাইল্যান্ডের রাইলে বিচ এবং মালয়েশিয়ার কোরাল বিচ।

৬ অক্টোবর প্রকাশিত ‘রিডার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এর এশিয়া অঞ্চলের তালিকায় ২০টি সমুদ্রসৈকত স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ভারতের চারটি করে, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার তিনটি করে এবং ফিলিপাইনের দুটি সৈকত রয়েছে।

তালিকার শীর্ষে থাকা আরুগাম বে ১০০-এর মধ্যে পেয়েছে ৯৮ দশমিক ৮৪ নম্বর। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাইলে বিচের স্কোর ৯৪ দশমিক ৪৪। মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যের পাংকর দ্বীপের কোরাল বিচ ৯৩ দশমিক ৩৩ নম্বর পেয়ে তৃতীয় হয়েছে।

শীর্ষ পাঁচে অন্য দুটি গন্তব্য হলো ফিলিপাইনের বোরাকে, যার স্কোর ৯৩ দশমিক ০১, এবং ইন্দোনেশিয়ার নুসা দুয়া বিচ, যার স্কোর ৯২ দশমিক ৯৩।

তালিকায় কোন দেশের কতটি সৈকত

শ্রীলঙ্কার আরুগাম বে ছাড়াও দেশটির বেনটোটা বিচ নবম, তাঙ্গালে বিচ ১৪তম এবং নেগোম্বো বিচ ১৯তম স্থান পেয়েছে। থাইল্যান্ডের আও নাং বিচ দশম, ভারতের রাধানগর বিচ ১১তম এবং ইন্দোনেশিয়ার পান্তাই পাদাং পাদাং সপ্তম হয়েছে।

কনডে নাস্ট ট্রাভেলারের তথ্য অনুযায়ী, পাঠকদের কাছে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের সমুদ্রসৈকত সম্পর্কে মতামত জানতে চাওয়া হয়েছিল। তাঁদের ভোট ও মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এবারের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ফলে এই অবস্থান পাঠকদের পছন্দের প্রতিফলন, সমুদ্রসৈকতের কোনো সর্বজনীন বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন নয়।

কক্সবাজারের জন্য কী বার্তা

বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুকাময় সমুদ্রসৈকতগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য। তবে এবারের তালিকায় জায়গা না পাওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যটনবিষয়ক পাঠক জরিপে সৈকতটির অবস্থান দৃশ্যমান হয়নি।

আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে গন্তব্যের পরিচিতি বাড়াতে সৈকতের পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সংরক্ষণ, নিরাপত্তা, পর্যটকসেবা এবং মানসম্মত অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক প্রচারও কোনো গন্তব্যের জনপ্রিয়তা বাড়াতে সহায়ক।

সূত্র: কনডে নাস্ট ট্রাভেলার, রিডার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬।