২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা শহরের স্বীকৃতি পেয়েছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। ভ্রমণবিষয়ক সাময়িকী ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’-এর পাঠক জরিপভিত্তিক ‘রিডার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ ১০০-এর মধ্যে ৯৭ দশমিক ৬৮ নম্বর পেয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে শহরটি। তালিকায় প্যারিস, ইস্তাম্বুল ও টোকিওর মতো জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রকে পেছনে ফেলেছে ব্যাংকক।

গত বছর সেরা ২০ শহরের তালিকায় জায়গা না পাওয়া ব্যাংককের এই প্রত্যাবর্তন উল্লেখযোগ্য। গতবারের শীর্ষস্থান দখল করেছিল জাপানের রাজধানী টোকিও।

সেরা ১০ শহরের তালিকা

কনডে নাস্ট ট্রাভেলারের ২০২৬ সালের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্সের প্যারিস, তৃতীয় স্থানে তুরস্কের ইস্তাম্বুল এবং চতুর্থ স্থানে ইতালির রোম। পঞ্চম স্থানে মাল্টার ভালেত্তা, ষষ্ঠ স্থানে চীনের সাংহাই, সপ্তম স্থানে টোকিও, অষ্টম স্থানে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল, নবম স্থানে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি এবং দশম স্থানে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম।

কেন পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে ব্যাংকক

ব্যাংককের জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ খাবারের বৈচিত্র্য, ঐতিহাসিক স্থাপনা, আধুনিক নগরজীবন এবং তুলনামূলক সাশ্রয়ী ভ্রমণের সুযোগ। রাস্তার পাশের খাবারের দোকান থেকে শুরু করে বিশ্বমানের রেস্তোরাঁ, সব ধরনের খাবারের অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় শহরটিতে।

শহরের প্রাচীন সোনালি মন্দির, ব্যস্ত বাজার এবং আধুনিক আকাশচুম্বী ভবন ব্যাংকককে দিয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। একই সঙ্গে কেনাকাটা, স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং বিভিন্ন ধরনের খাবার চেখে দেখার সুযোগ পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

যানজট ও গরম আবহাওয়া ব্যাংককে ভ্রমণের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করলেও শহরটির গণপরিবহন, বিপণিবিতান, খাবারের বৈচিত্র্য ও প্রাণবন্ত পরিবেশ ভ্রমণকারীদের কাছে একে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে থাইল্যান্ডে যেতে ইচ্ছুক পর্যটকদের জন্য ব্যাংকক হতে পারে সংস্কৃতি, খাবার ও নগরভ্রমণের সমন্বিত গন্তব্য। তবে ভ্রমণের আগে প্রবেশসংক্রান্ত নিয়ম, ভিসার শর্ত এবং যাতায়াতের খরচ যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।