সিঙ্গাপুর ভ্রমণের ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব অনুযায়ী ভিসার নিয়ম ভিন্ন। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের নাগরিক স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণে আগাম ভিসা ছাড়াই সিঙ্গাপুরে যেতে পারেন। তবে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে আগেই সিঙ্গাপুরের প্রবেশ ভিসা নিতে হয়। সিঙ্গাপুরের অভিবাসন ও সীমান্ত কর্তৃপক্ষের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য ভিসা বাধ্যতামূলক।

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বাধ্যতামূলক

সিঙ্গাপুরে প্রবেশের জন্য ভিসা প্রয়োজন এমন দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরান, ইরাক, উত্তর কোরিয়া, জর্ডান, লেবানন, সিরিয়া, রাশিয়া, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান, জর্জিয়া, ইউক্রেনসহ আরও কয়েকটি দেশের নাগরিক।

বর্তমান তালিকায় মোট ৩৫টি দেশের ভ্রমণ নথিধারীদের জন্য আগাম প্রবেশ ভিসা প্রয়োজন। মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ৩৪ দেশের সংখ্যাটি তাই সংশোধন করা হলো।

অর্থাৎ, এই তালিকার বাইরে থাকা যোগ্য দেশের নাগরিকদের সাধারণত স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের জন্য আগাম সিঙ্গাপুর ভিসা প্রয়োজন হয় না। তবে ভিসামুক্ত প্রবেশ মানেই শর্তহীন প্রবেশ নয়।

ভ্রমণের আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি

সিঙ্গাপুরে যেতে হলে বিদেশি ভ্রমণকারীর পাসপোর্টে প্রবেশের তারিখ থেকে অন্তত ছয় মাসের মেয়াদ থাকতে হবে। স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারীদের কাছে ফেরত বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট এবং পর্যাপ্ত অর্থের প্রমাণ রাখার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

এ ছাড়া সিঙ্গাপুরে যাওয়ার আগে সিঙ্গাপুর আগমন কার্ড জমা দিতে হয়। এটি ভিসা নয় এবং জমা দেওয়ার জন্য কোনো ফি লাগে না। আগমনের দিনসহ আগের তিন দিনের মধ্যে এটি জমা দিতে হয়।

৯৬ ঘণ্টার বিশেষ ট্রানজিট সুবিধা

ভারত, ইউক্রেন, জর্জিয়া, তুর্কমেনিস্তান এবং কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেনডেন্ট স্টেটস বা সিআইএসভুক্ত কয়েকটি দেশের নাগরিক নির্দিষ্ট শর্তে ৯৬ ঘণ্টার ভিসামুক্ত ট্রানজিট সুবিধা পেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিঙ্গাপুর ছাড়তে হবে এবং সুবিধাটির মেয়াদ বাড়ানো যায় না।

তথ্যসূত্র: সিঙ্গাপুরের অভিবাসন ও সীমান্ত কর্তৃপক্ষ (আইসিএ)।