ভারতে বেড়াতে গিয়ে এক শহর থেকে অন্য শহরে যাতায়াতের জন্য বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে ট্রেন জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। তবে ট্রেনে ভ্রমণের সময় বৈধ টিকিট, পরিচয়পত্র এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অনুমোদনপত্র সঙ্গে রাখা জরুরি। বিশেষ করে ২০২৬ সালের অক্টোবরে ভারতের মধ্য রেলওয়ে এলাকায় বিশেষ টিকিট তল্লাশি অভিযান চলার খবরে যাত্রীদের নথিপত্র সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এই অভিযানে টিকিটের বৈধতা যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র ও ভ্রমণসংক্রান্ত নথিও পরীক্ষা করা হচ্ছে।

পাসপোর্ট ও পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন

ভারতে ভ্রমণরত বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় মূল নথি নিরাপদে সঙ্গে রাখা উচিত। শুধু মুঠোফোনে সংরক্ষিত ছবি বা ফটোকপির ওপর নির্ভর না করে মূল নথি সহজে দেখানো যায় এমন জায়গায় রাখুন।

টিকিটের তথ্য যাচাই করুন

ট্রেনে ওঠার আগে টিকিটে যাত্রীর নাম, যাত্রার তারিখ, ট্রেনের নাম বা নম্বর, আসন ও গন্তব্যের তথ্য মিলিয়ে নিন। অনলাইনে টিকিট কাটলে মুঠোফোনে সেটি সংরক্ষণ করুন। প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য মুদ্রিত কপিও রাখতে পারেন।

বিশেষ ছাড় বা কোটার ক্ষেত্রে সতর্কতা

ছাড় বা বিশেষ কোটার আওতায় টিকিট কাটলে সংশ্লিষ্ট সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতার প্রমাণ সঙ্গে রাখতে হবে। ই-পাস বা বিশেষ অনুমতিনির্ভর টিকিটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য পরিচয়পত্র এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদনপত্র ঠিক আছে কি না, যাত্রার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন।

অসংরক্ষিত টিকিটও যাচাই হতে পারে

অসংরক্ষিত টিকিটে ভ্রমণ করলেও টিকিটের বৈধতা যাচাই করা হতে পারে। তাই টিকিট সংগ্রহের পর সেটি সঠিক ও বৈধ কি না নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

টিকিট ছাড়া ভ্রমণে জরিমানা

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের ২০ জুন থেকে অননুমোদিত ভ্রমণের ক্ষেত্রে ন্যূনতম অতিরিক্ত জরিমানা ২৫০ রুপি থেকে বাড়িয়ে ৫০০ রুপি করা হয়েছে। তবে জরিমানার সঠিক পরিমাণ ও প্রযোজ্য নিয়ম জানতে ভারতীয় রেলের হালনাগাদ নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।

যাত্রার আগে শেষবার যা দেখবেন

ভারতে ট্রেনে ওঠার আগে পাসপোর্ট, বৈধ টিকিট এবং প্রযোজ্য অতিরিক্ত নথি সঙ্গে আছে কি না নিশ্চিত করুন। টিকিটের তথ্যেও যেন কোনো ভুল না থাকে। আগে থেকে প্রস্তুতি নিলে অনাকাঙ্ক্ষিত জরিমানা ও যাত্রাবিরতির ঝুঁকি কমানো সম্ভব।