কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হলে নেপাল থেকে সরাসরি আকাশপথে পর্যটক আনার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। এ লক্ষ্যে নেপালের হিমালয়া এয়ারলাইনসকে কক্সবাজারে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে ঢাকা-পোখারা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চালুর বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেপাল।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী মাসে কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হলে নেপালি পর্যটকদের সরাসরি সমুদ্রসৈকতের এই শহরে ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হবে। এতে দুই দেশের পর্যটন সহযোগিতা বাড়ানোর নতুন সম্ভাবনাও উন্মোচিত হতে পারে।

এ প্রেক্ষাপটে নেপালের হিমালয়া এয়ারলাইনস কক্সবাজারে সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে, নেপালি পক্ষ ঢাকা-পোখারা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে। পোখারা নেপালের অন্যতম পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র। হিমালয়ের দৃশ্য, ফেওয়া হ্রদ এবং পর্বতভিত্তিক পর্যটনের জন্য শহরটি ভ্রমণকারীদের কাছে জনপ্রিয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেপালের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, পর্যটক বিনিময় বৃদ্ধি, আকাশপথে যোগাযোগ উন্নয়ন এবং পর্যটন প্রসারে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

উভয়পক্ষ আশা প্রকাশ করে, দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ ও পর্যটন সহযোগিতা সম্প্রসারিত হলে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়বে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

পর্যটন খাতে সম্ভাবনা

কক্সবাজারে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হলে নেপালসহ বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াত সহজ হতে পারে। তবে ফ্লাইট চালুর বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিমানবন্দরের কার্যক্রম, উড়োজাহাজ সংস্থার বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন গুরুত্বপূর্ণ হবে।