দেশের পর্যটন খাতে টেকসই উন্নয়ন, সেবার মানোন্নয়ন, উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ এবং নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দেওয়া হলো ‘বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬’। ১৬টি ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও পর্যটন উদ্যোগকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
শনিবার বিকেলে ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ডের যাচাই-বাছাই শেষে ১৬টি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়।
যারা পেলেন পুরস্কার
বর্ষসেরা টেকসই পর্যটন উদ্যোগ হয়েছে সাখাওয়াত’স সিক্স কন্ট্রোল পয়েন্ট ফর ফুড কস্ট অপটিমাইজেশন।
বর্ষসেরা পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা, চার তারকা হোটেল হোটেল আগ্রাবাদ এবং তিন তারকা হোটেল হানসা-এ প্রিমিয়াম রেসিডেন্সেস নির্বাচিত হয়েছে।
বর্ষসেরা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটর দ্য বেঙ্গল ট্যুরস লিমিটেড এবং বর্ষসেরা দেশীয় ট্যুর অপারেটর শেয়ারট্রিপ লিমিটেড। বর্ষসেরা বিনোদন পার্ক হয়েছে ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স।
বর্ষসেরা তরুণ পর্যটন উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ইকো অ্যাডভেঞ্চারস এবং বর্ষসেরা হোমস্টে চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরস।
বর্ষসেরা পর্যটন কনটেন্ট নির্মাতা হয়েছেন আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন (সুমন)। পর্যটন প্রযুক্তিবিষয়ক উদ্যোগে পুরস্কার পেয়েছে বিডি টিকিটস।
বর্ষসেরা নারী পর্যটন উদ্যোক্তা নুরানী শারমিন আফরোজ। বর্ষসেরা পর্যটনযান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে এমভি মাল্লিক।
বর্ষসেরা ট্যুর গাইড মো. সারোয়ার জাহান (মিঠু), বর্ষসেরা মাইস উদ্যোগ সেভেন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এবং বর্ষসেরা পর্যটন সাংবাদিকতা পুরস্কার পেয়েছেন মো. নাঈম উল ইসলাম আবির।
পুরস্কারের মাধ্যমে দেশের পর্যটন খাতে সেবা, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ডিজিটাল প্রচার এবং প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে অবদান রাখা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া হলো।