ভিক্টোরিয়া হারবারের তীরে গড়ে ওঠা রোজউড হংকং আবারও বিশ্বের সেরা হোটেলের স্বীকৃতি পেয়েছে। ২০২৬ সালের ‘দ্য ৫০ বেস্ট হোটেলস’ তালিকায় প্রথম স্থান ধরে রেখে হোটেলটি টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বের এক নম্বর হয়েছে। একই সঙ্গে এটি পেয়েছে এশিয়ার সেরা হোটেলের স্বীকৃতিও। ১৫ সেপ্টেম্বর প্যারিসে আয়োজিত পুরস্কার অনুষ্ঠানে এবারের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
২০১৯ সালে অতিথিদের জন্য খুলে দেওয়া রোজউড হংকং হংকংয়ের সিম শা সুই এলাকায় ভিক্টোরিয়া হারবারের পাশে ৬৫ তলা ভবনে অবস্থিত। হোটেলটির ৪১৩টি কক্ষ ও স্যুট ৪৩টি তলায় বিস্তৃত। অনেক কক্ষ থেকেই ভিক্টোরিয়া হারবার ও হংকংয়ের ব্যস্ত নগরদৃশ্য দেখা যায়।
স্থাপত্য ও অবস্থান
রোজউড হংকং ভিক্টোরিয়া ডকসাইড এলাকার অংশ। আধুনিক স্থাপত্যের পাশাপাশি হোটেলের নকশায় হংকংয়ের স্থানীয় সংস্কৃতি ও নগরজীবনের নানা উপাদান যুক্ত করা হয়েছে। ফলে এটি শুধু থাকার জায়গা নয়, শহরের শিল্প, নকশা ও সংস্কৃতির সঙ্গেও অতিথিদের যুক্ত করে।
খাবারের বৈচিত্র্য
হোটেলটির অন্যতম আকর্ষণ খাবারের আয়োজন। এখানে রয়েছে ১১টি খাবার ও পানীয়ের স্থান। এর মধ্যে দ্য লিগ্যাসি হাউস ও চাট রেস্তোরাঁ মিশেলিন নির্দেশিকায় এক তারকা পেয়েছে। ফরাসি খাবারের জন্য রয়েছে মারমো বিস্ত্রো এবং হংকংয়ের স্থানীয় খাবারের আধুনিক পরিবেশনার জন্য রয়েছে হল্টস ক্যাফে।
হোটেলের ডার্কসাইড বারও হংকংয়ের পরিচিত পানীয় ও রাতের বিনোদনের ঠিকানাগুলোর একটি।
বিশ্রাম ও সুস্থতার সুবিধা
অতিথিদের জন্য রয়েছে আসায়া স্পা, সুইমিং পুল ও শরীরচর্চার সুবিধা। আসায়ায় স্পা, শরীরচর্চা, মননশীলতা ও বিভিন্ন সুস্থতা কার্যক্রমের ব্যবস্থা রয়েছে। হোটেলটিতে রয়েছে ব্যক্তিগত আসায়া লজ এবং বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন ম্যানর ক্লাবও।
টানা দ্বিতীয়বার শীর্ষে
২০২৪ সালের তালিকায় রোজউড হংকং তৃতীয় এবং ২০২৫ সালে প্রথম হয়েছিল। ২০২৬ সালে আবারও প্রথম হয়ে এটি ‘দ্য ৫০ বেস্ট হোটেলস’ তালিকায় টানা দুইবার শীর্ষস্থান পাওয়া প্রথম হোটেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
এবারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্যাংককের ক্যাপেলা ব্যাংকক এবং তৃতীয় স্থানে ফোর সিজনস ব্যাংকক অ্যাট চাও ফ্রায়া রিভার। ভারতের তাজ মহল প্যালেস রয়েছে ৩০তম স্থানে।