ভ্রমণের আগে ভিসার আবেদন, দীর্ঘ কাগজপত্র ও অতিরিক্ত ফি—সব মিলিয়ে অনেকের কাছেই আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বেশ ঝামেলার। তাই ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগ একটি দেশের পাসপোর্টকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

সম্প্রতি পাসপোর্ট রিপোর্টস ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টের শক্তি নিয়ে একটি র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে। এতে একজন পাসপোর্টধারী কতটি দেশে ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন, কতটি দেশে পৌঁছে ভিসা নিতে পারেন এবং কোথায় ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন বা ইটিএ প্রয়োজন—এসব বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কতটি দেশে ভ্রমণের আগে ভিসা নিতে হয়, সেটিও হিসাব করা হয়েছে।

সর্বশেষ তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রথম এবং সিঙ্গাপুর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইউরোপের দেশ স্পেন, যা ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। দেশটির গতিশীলতা বা মোবিলিটি স্কোর ১৭৪। স্প্যানিশ পাসপোর্টধারীরা ১২১টি দেশে ভিসা ছাড়াই যেতে পারেন। আরও ৪২টি দেশে পৌঁছে ভিসা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ১১টি দেশে ইটিএ প্রয়োজন এবং ২৪টি দেশে যাওয়ার আগে ভিসা নিতে হয়।

পঞ্চম স্থানে থাকা লুক্সেমবার্গের গতিশীলতা বা মোবিলিটি স্কোর ১৭৩। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১২২টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ করতে পারেন এবং ৪১টি দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসা পাওয়া যায়। ১০টি দেশে ইটিএ এবং ২৫টি দেশে আগাম ভিসা প্রয়োজন।

বেলজিয়াম ও ফ্রান্স যৌথভাবে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। উভয় দেশের স্কোর ১৭৩। তাদের পাসপোর্টধারীরা ১২১টি দেশে ভিসামুক্ত এবং ৪১টি দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় যেতে পারেন।

সপ্তম স্থানে রয়েছে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন। এসব দেশের পাসপোর্টধারীরা ১২০টি দেশে ভিসামুক্ত এবং ৪২টি দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় যেতে পারেন।

তালিকায় এরপর অষ্টম স্থানে গ্রিস, নবম স্থানে পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড এবং দশম স্থানে অস্ট্রিয়া রয়েছে। নরওয়ে ১১তম, আয়ারল্যান্ড ১২তম, মাল্টা ১৪তম এবং হাঙ্গেরি ও পোল্যান্ড যৌথভাবে ১৫তম স্থানে রয়েছে।