দেশের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়ন, সেবার মানোন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিতে প্রথমবারের মতো ‘বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার’ চালু করেছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। ১৩টি শ্রেণিতে দেওয়া হবে এ পুরস্কার।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ট্যুরিজম বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, এবারের পর্যটন দিবসে প্রথমবারের মতো চালু করা পর্যটন পুরস্কার বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, সেবার মানোন্নয়ন, উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা ও পর্যটন উদ্যোগকে স্বীকৃতি দেওয়ার ১৩টি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেওয়া হবে।”
সপ্তাহব্যাপী আয়োজন
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রোববার থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’।
রোববার সকালে পশ্চিম আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগর প্রশাসনিক এলাকার পর্যটন ভবনের সামনে থেকে শোভাযাত্রা বের হবে। এতে আবহমান বাংলার জীবনধারা, বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য এবং ঢাকার ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে।
এরপর সাইকেল শোভাযাত্রা ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে সিটি ট্যুর উদ্বোধন করা হবে। এই আয়োজনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা গাইডেড ট্যুরের মাধ্যমে ঢাকার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।
সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচিতে পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং পর্যটকদের উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ বিভিন্ন আয়োজন থাকছে।
বিশ্ব পর্যটন দিবসের মূল আয়োজন হবে ৩ অক্টোবর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে।