দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন খাতের অবদান দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। বর্তমানে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পর্যটন খাতের অবদান প্রায় ৩ শতাংশ। এই অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ভ্রমণ, পর্যটন, বিমান চলাচল ও আতিথেয়তা, এই চারটি খাতকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে। এসব খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে সরকার কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের মতো প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
পর্যটনের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান প্রায় ৩ শতাংশ। সরকার এই অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায়।
তিনি দেশের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়ন ও বিকাশে বেসরকারি খাতের অংশীজনদের সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এ ক্ষেত্রে সরকার নীতিগত সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সমর্থন দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে দেশের পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি। বর্তমান সরকার পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও এর সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন পর্যটনমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে পর্যটন খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা, সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
বর্তমানে জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান: প্রায় ৩ শতাংশ
সরকারের লক্ষ্য: ৬ থেকে ৭ শতাংশ
অগ্রাধিকার: ভ্রমণ, পর্যটন, বিমান চলাচল ও আতিথেয়তা খাতের সমন্বিত উন্নয়ন