একা ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, সহজ যাতায়াত, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও তুলনামূলক সাশ্রয়ী খরচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এসব সুবিধার কারণে এশিয়ার তিন দেশ একক ভ্রমণকারীদের জন্য বিশ্বের সেরা ২৫টি দেশের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। অনলাইন ভ্রমণ সাময়িকী ‘ট্রাভেল+লিজার’-এর তালিকায় রয়েছে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও জাপান।
তালিকায় দ্বিতীয় থাইল্যান্ড
একক ভ্রমণকারীদের জন্য থাইল্যান্ডের অন্যতম বড় সুবিধা সহজ যাতায়াত ও তুলনামূলক সাশ্রয়ী ভ্রমণব্যবস্থা। ব্যাংককে পাতালরেল, টুকটুক ও নৌযানে সহজেই বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে যাওয়া যায়।
রাজধানী ব্যাংককের খাবার, রাতের বিনোদন ও স্পা সংস্কৃতি একক পর্যটকদের আকর্ষণ করে। মধ্য এপ্রিলে থাই নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সংক্রান উৎসবও পর্যটকদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
সমুদ্রসৈকতপ্রেমীদের কাছে ফুকেট, ক্রাবি ও ফি ফি দ্বীপ জনপ্রিয়। আন্দামান সাগরের তীরবর্তী এসব গন্তব্যে সৈকত, দ্বীপভ্রমণ ও নৌযাত্রার সুযোগ রয়েছে।
পঞ্চম স্থানে ভিয়েতনাম
অ্যাডভেঞ্চার, ইতিহাস ও বৈচিত্র্যময় খাবারের জন্য ভিয়েতনাম একক ভ্রমণকারীদের কাছে আকর্ষণীয় গন্তব্য। হা লং বে ও বাই তু লং বে-তে নৌভ্রমণ এবং শোন ডং গুহায় গাইডের সঙ্গে অভিযান রোমাঞ্চপ্রিয় পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়।
হ্যানয়ের হোয়ান কিয়েম হ্রদ, হো চি মিন সিটির কু চি টানেল ও যুদ্ধ জাদুঘর দেশটির ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ দেয়। আর হোই আনে পূর্ণিমার রাতে থু বোন নদীতে ভাসতে থাকা রঙিন লণ্ঠন শহরটির অন্যতম আকর্ষণ।
খাবারের ক্ষেত্রেও ভিয়েতনাম আলাদা। বাং সেও, ফো এবং স্থানীয় ক্যাফে সংস্কৃতি একক পর্যটকদের ভ্রমণে বাড়তি অভিজ্ঞতা যোগ করে।
১৫তম স্থানে জাপান
নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও উন্নত গণপরিবহনের কারণে একক ভ্রমণের জন্য জাপানও উল্লেখযোগ্য গন্তব্য। রাজধানী টোকিওতে গিনজা, টোকিও স্কাইট্রি, সেনসো-জি মন্দির ও ঐতিহ্যবাহী উদ্যান ঘুরে দেখা যায়।
টোকিও থেকে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেনে কিয়োটো যাওয়া যায়। সেখানে ঐতিহাসিক মন্দির, ঐতিহ্যবাহী চা-সংস্কৃতি ও পুরোনো জাপানের স্থাপত্য উপভোগ করা যায়।
বসন্তে চেরি ফুলের সৌন্দর্য জাপানকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। ফলে প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও আধুনিক নগরজীবনের সমন্বয়ে দেশটি একক ভ্রমণকারীদের জন্য বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতার সুযোগ দেয়।