সিলেটের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য জাফলংয়ে যাতায়াত আরও সহজ করতে নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি উন্নত সড়ক যোগাযোগ গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে জাফলং, তামাবিল ও আশপাশের এলাকার পর্যটন বিকাশে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সম্ভাব্য প্রকল্প এলাকা ইতোমধ্যে সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল পরিদর্শন করেছে।

সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী মোহাম্মদ আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি জাফলং, তামাবিল ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখে। এ সময় পর্যটনশিল্পের বিকাশে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়।

পরিদর্শনে রেলপথ মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

জাফলং বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত প্রাকৃতিক পর্যটন গন্তব্য। পাহাড়, পিয়াইন নদী, পাথর, সবুজ প্রকৃতি এবং ভারতের সীমান্তঘেঁষা মনোরম দৃশ্যের কারণে সারা বছরই দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে এ এলাকা। বিশেষজ্ঞদের মতে, রেল ও সড়ক যোগাযোগ উন্নত হলে ভ্রমণ আরও সহজ হবে এবং স্থানীয় পর্যটননির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও সেবাখাতও উপকৃত হতে পারে।

তবে সম্ভাব্য প্রকল্পের ব্যয়, রেলপথের দৈর্ঘ্য কিংবা বাস্তবায়নের সময়সীমা সম্পর্কে সরকার এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

যা জানা গেছে

সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত নতুন রেলপথের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

জাফলং, তামাবিল ও আশপাশের এলাকায় সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।

উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধিদল প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে।

প্রকল্পের ব্যয়, দৈর্ঘ্য ও সময়সীমা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।