ভ্রমণের আগে ব্যাগ গোছাতে গিয়ে আমরা সাধারণত পোশাক ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে বেশি গুরুত্ব দিই। কিন্তু এক জোড়া আরামদায়ক জুতার গুরুত্ব অনেক সময়ই উপেক্ষিত থাকে। অথচ দীর্ঘ সময় হাঁটা, নতুন জায়গা ঘোরা কিংবা বিভিন্ন ধরনের পরিবেশে চলাফেরার জন্য উপযুক্ত জুতা না হলে পুরো অভিজ্ঞতাই নষ্ট হতে পারে।
জুতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রধান তিনটি বিষয় বিবেচনায় রাখা জরুরি। আরাম, স্থায়িত্ব এবং আবহাওয়া। কোথায় যাচ্ছেন, কতটা হাঁটতে হবে এবং আবহাওয়া কেমন থাকবে, এসব প্রশ্নের উত্তরই ঠিক করে দেবে আপনার জুতার ধরন।
সমুদ্র ভ্রমণে হালকা জুতা
সাগরপাড়ে ঘোরাঘুরির জন্য ভারী জুতা এড়িয়ে চলাই ভালো। হালকা ও ফ্ল্যাট স্যান্ডেল এ ধরনের জায়গার জন্য সবচেয়ে উপযোগী। স্পঞ্জ বা সিলিকন বেল্টের স্যান্ডেল পায়ে আরাম দেয় এবং ভেজা বালিতে হাঁটাও সহজ করে।
শহর ভ্রমণে আরামদায়ক স্নিকার্স
শহরের রাস্তা, জাদুঘর বা দর্শনীয় স্থান ঘোরার সময় সাধারণত দীর্ঘক্ষণ হাঁটতে হয়। এ ক্ষেত্রে কুশনযুক্ত স্নিকার্স বা ক্যানভাস জুতা ভালো সাপোর্ট দেয়। এগুলো পায়ের ওপর চাপ কমায় এবং সারাদিন চলাফেরা সহজ করে।
হাইকিং বা ট্রেইলের জন্য শক্ত জুতা
পাহাড়ি পথ বা ট্রেইলে হাঁটার সময় দরকার শক্ত গ্রিপযুক্ত জুতা। ট্র্যাকশন ভালো এমন স্নিকার্স বা হাইকিং শু পা পিছলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। সঙ্গে পানি প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য থাকলে আরও সুবিধা পাওয়া যায়।
শীতপ্রধান অঞ্চলে বুট
বরফ বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় ভ্রমণের জন্য উষ্ণ ও সুরক্ষিত জুতা প্রয়োজন। হাঁটু পর্যন্ত বা থাই-হাই বুট পা গরম রাখার পাশাপাশি বরফে হাঁটতে সহায়তা করে।
প্লেন ভ্রমণে সহজ জুতা
দীর্ঘ ফ্লাইটে এমন জুতা পরা ভালো যা সহজে খোলা ও পরা যায়। আরামদায়ক স্নিকার্স বা স্লিপ-অন জুতা এ ক্ষেত্রে উপযুক্ত।
অতিরিক্ত জুতা রাখতে ভুলবেন না
ভ্রমণে যাই নিন না কেন, ব্যাগে একটি স্লিপার বা অতিরিক্ত জুতা রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। হোটেল, বাথরুম বা হালকা ব্যবহারে এটি খুব কাজে আসে।