মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের অভিঘাত এবার সরাসরি আঘাত হানছে আরব বিশ্বের পর্যটন খাতে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, চলমান সংঘাত অব্যাহত থাকলে এ অঞ্চলের পর্যটন শিল্পে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ছয় হাজার কোটি ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে। সম্ভাব্য এই ধাক্কা শুধু অর্থনীতিকেই নয়, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগকেও চাপে ফেলবে।
দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরান আক্রমণ করার পর সংঘাত দ্রুত বিস্তৃত হয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। পারস্য উপসাগর ঘিরে থাকা একাধিক রাষ্ট্রে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার পর যুদ্ধ চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। পরিস্থিতি অনিশ্চিত হওয়ায় অঞ্চল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে ধনী বিনিয়োগকারী ও বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে। ভ্রমণ বাতিল, ফ্লাইট স্থগিত এবং হোটেল বুকিং কমে যাওয়ায় পর্যটন খাতে ধসের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষক সংস্থা ট্যুরিজম ইকোনমিকস মঙ্গলবার ৩ মার্চ প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে জানিয়েছে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ২০২৬ সালে মধ্যপ্রাচ্যে আন্তর্জাতিক পর্যটক আগমন ১১ থেকে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
এই পূর্বাভাস সংস্থাটির গত ডিসেম্বরের হিসাবের সম্পূর্ণ বিপরীত। তখন তারা ধারণা করেছিল, চলতি বছরে এ অঞ্চলে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১৩ শতাংশ বাড়বে। কিন্তু নতুন বাস্তবতায় সেই আশাবাদী চিত্র বদলে গেছে।
সর্বোচ্চ হ্রাসের আশঙ্কা সত্য হলে মধ্যপ্রাচ্য প্রত্যাশার তুলনায় প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৮০ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক হারাতে পারে। পর্যটকদের ব্যয়ের হিসেবে সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন থেকে ৫৬ বিলিয়ন ডলার।
মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন গুরুত্বপূর্ণ খাত। তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বৈচিত্র্য আনতে গত এক দশকে এই খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ হয়েছে। নতুন অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক আয়োজন এবং বিলাসবহুল পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। চলমান সংঘাত সেই অগ্রযাত্রাকে বড় ধাক্কা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের অভিঘাত এবার সরাসরি আঘাত হানছে আরব বিশ্বের পর্যটন খাতে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, চলমান সংঘাত অব্যাহত থাকলে এ অঞ্চলের পর্যটন শিল্পে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ছয় হাজার কোটি ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে। সম্ভাব্য এই ধাক্কা শুধু অর্থনীতিকেই নয়, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগকেও চাপে ফেলবে।
দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরান আক্রমণ করার পর সংঘাত দ্রুত বিস্তৃত হয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। পারস্য উপসাগর ঘিরে থাকা একাধিক রাষ্ট্রে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার পর যুদ্ধ চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। পরিস্থিতি অনিশ্চিত হওয়ায় অঞ্চল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে ধনী বিনিয়োগকারী ও বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে। ভ্রমণ বাতিল, ফ্লাইট স্থগিত এবং হোটেল বুকিং কমে যাওয়ায় পর্যটন খাতে ধসের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষক সংস্থা ট্যুরিজম ইকোনমিকস মঙ্গলবার ৩ মার্চ প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে জানিয়েছে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ২০২৬ সালে মধ্যপ্রাচ্যে আন্তর্জাতিক পর্যটক আগমন ১১ থেকে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
এই পূর্বাভাস সংস্থাটির গত ডিসেম্বরের হিসাবের সম্পূর্ণ বিপরীত। তখন তারা ধারণা করেছিল, চলতি বছরে এ অঞ্চলে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১৩ শতাংশ বাড়বে। কিন্তু নতুন বাস্তবতায় সেই আশাবাদী চিত্র বদলে গেছে।
সর্বোচ্চ হ্রাসের আশঙ্কা সত্য হলে মধ্যপ্রাচ্য প্রত্যাশার তুলনায় প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৮০ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক হারাতে পারে। পর্যটকদের ব্যয়ের হিসেবে সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন থেকে ৫৬ বিলিয়ন ডলার।
মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন গুরুত্বপূর্ণ খাত। তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বৈচিত্র্য আনতে গত এক দশকে এই খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ হয়েছে। নতুন অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক আয়োজন এবং বিলাসবহুল পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। চলমান সংঘাত সেই অগ্রযাত্রাকে বড় ধাক্কা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।