বাংলার কলম্বাস ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ করতে হলে দর্শনার্থীদের নিতে হবে ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ), যা বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হয়েছে। 
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিরর লিখেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে চালু হওয়া এই ডিজিটাল ভ্রমণ অনুমতির মূল্য পড়বে ১৬ পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার ৬৪০ টাকার মতো। 

এর মাধ্যমে দুই বছর পর্যন্ত বা পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটে) সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য একাধিকবার যুক্তরাজ্যে ভ্রমণের অনুমতি মিলবে।
যাদের ইটিএ থাকবে না, তারা ফ্লাইট, ফেরি বা ট্রেনে উঠতে পারবেন না। তবে ব্রিটিশ ও আইরিশ নাগরিক কিংবা দ্বৈত নাগরিকরা এই বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পাবেন।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক ট্যাপ বলেছেন, ইটিএ কর্মসূচি যুক্তরাজ্যের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে আমাদের কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি দর্শনার্থী ও ব্রিটিশ জনগণের জন্য আরও কার্যকর ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করবে। 

তিনি বলেন, ‘যারা যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ করতে চান, তাদের উচিত সঠিক অনুমতি নিয়ে ভ্রমণের প্রস্তুতি নিশ্চিত করা, যেন যাত্রা আরও নির্বিঘ্ন হয়।’


নতুন নীতিমালার ফলে দ্বৈত নাগরিকদের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। আগে তারা ব্রিটিশ নয়, এমন পাসপোর্ট ব্যবহার করে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করতে পারতেন। 
এখন তাদের ব্রিটিশ পাসপোর্ট নিতে হবে অথবা ৫৮৯ পাউন্ড দিয়ে ‘সার্টিফিকেট অব এনটাইটেলমেন্ট’ সংগ্রহ করতে হবে। 

কিছু দ্বৈত নাগরিক অভিযোগ করেছেন, ইটিএ কার্যকর করার বিষয়টি খুব অল্প সময়ের নোটিশে জানানো হয়েছে এবং পর্যাপ্ত প্রচার চালানো হয়নি।
অনেকে আশঙ্কা করছেন, সময়মতো পাসপোর্ট বা সার্টিফিকেট না পেলে তাদের ভ্রমণ ব্যাহত হতে পারে। 

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশ্বস্ত করে বলেছে, দ্বৈত নাগরিকদের সঠিক নথিপত্র বহনের পরামর্শসংবলিত জনসচেতনতামূলক তথ্য ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে পাওয়া যাচ্ছে। আর ২০২৩ সাল থেকেই একটি বিস্তৃত যোগাযোগ কার্যক্রম চালু থাকার কথাও বলেছে মন্ত্রণালয়।