পর্যটকরা প্রায়ই এমন রৌদ্রোজ্জ্বল গন্তব্য খোঁজেন যেখানে প্রচুর রোদ ও উচ্চ তাপমাত্রা থাকে। কিন্তু সবচেয়ে রৌদ্রোজ্জ্বল স্থান কোনটি? বিশ্বের ৫০টি গন্তব্য নিয়ে করা এক গবেষণায় বিভিন্ন মানদণ্ডে এসব স্থান বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি এলাকার সূর্যালোকের পরিমাণ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো সময়, ঘুমের মান এবং শারীরিক ব্যায়ামের সুযোগ-সুবিধার মতো বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেছেন।

এই ফল প্রকাশিত হয়েছে BookRetreats.com–এর তৈরি ‘হলিডে হ্যাপিনেস ইনডেক্সে, যেখানে সবার উপরে রয়েছে দুবাইয়ের নাম। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শহরটিতে বছরে রোদ থাকে ৩ হাজার ৫৭৭ ঘণ্টা। জরিপের বরাতে ডেইলি মেইল বলছে, এই শহরে পর্যটকরা প্রতিদিন আট থেকে দশ ঘণ্টা পর্যন্ত রোদ উপভোগ করতে পারেন। গ্রীষ্মকালে শহরের তাপমাত্রা সহজেই মাঝামাঝি থেকে উচ্চ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়, ফলে পর্যটকরা রৌদ্রোজ্জ্বল ও উষ্ণ আবহাওয়া উপভোগ করেন। এখানে রয়েছে বিলাসবহুল শপিং মল ও ঝলমলে আকাশচুম্বী অট্টালিকার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।
সম্প্রতি শহরটি ট্রিপ (TripAdvisor) এর ২০২৫ সালের ট্রাভেলার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ড তালিকায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। ট্রিপ অ্যাডভাইজর দুবাই অপেরায় একটি পরিবেশনা দেখার পরামর্শ দিয়েছে, অথবা আরও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার জন্য মরুভূমির ওপর হট এয়ার বেলুনে চড়ার সুপারিশ করেছে।

অন্যান্য রৌদ্রোজ্জ্বল গন্তব্যের মধ্যে মিশরের কায়রো দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, যেখানে বছরে ৩ হাজার ৪৭৭ ঘণ্টা সূর্যালোক থাকে। অর্থাৎ বছরে প্রায় ৩০০ দিন থাকে রোদেলা। কাতারের দোহা আছে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এরপর লস অ্যাঞ্জেলেস ও ওরলান্ডো শীর্ষ পাঁচের তালিকা সম্পূর্ণ করেছে। এছাড়া শীর্ষ দশ রৌদ্রোজ্জ্বল গন্তব্যের তালিকায় রয়েছে লিসবন, দিল্লি, এথেন্স, সান্তিয়াগো ও মাদ্রিদ।