বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীদের জন্য ইন্দোনেশিয়ায় ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ। পর্যটন, আতিথেয়তা ও বিমান চলাচল খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে এ সুবিধা নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করেছে ঢাকা।
সোমবার (১০ আগস্ট) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আফরোজা খানম বলেন, বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের কাছে ইন্দোনেশিয়া একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা নিশ্চিত করাকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা সহজতর করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি।
বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার ভিসা অন অ্যারাইভাল ব্যবস্থা নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য। দেশটির সরকারি অভিবাসন তথ্য অনুযায়ী, যোগ্য ভ্রমণকারীরা বিমানবন্দর বা অন্যান্য নির্ধারিত প্রবেশপথে এ ভিসা নিতে পারেন। ভিসা অন অ্যারাইভালে প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ ৩০ দিন অবস্থানের সুযোগ থাকে এবং নির্দিষ্ট শর্তে তা আরও ৩০ দিন বাড়ানো যায়।
বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নেও সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এভিয়েশন হাব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশে রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল ইউনিট তৈরির বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।
বাংলাদেশের আতিথেয়তা খাতের দক্ষতা উন্নয়নে ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সইয়ের আগ্রহও প্রকাশ করেছেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত।
তথ্যসূত্র: বাসস