প্রচণ্ড গরমে যখন উপকূলজুড়ে হাঁসফাঁস অবস্থা, তখনই ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতার খোঁজে কক্সবাজারে ভিড় বাড়াচ্ছেন পর্যটকেরা। সমুদ্রসৈকতের পাশাপাশি এখন নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠেছে মেরিন ড্রাইভের রেজু খাল এলাকায় কায়াকিং। প্রকৃতি আর রোমাঞ্চের এই মেলবন্ধন গরমের ক্লান্তি ভুলিয়ে দিচ্ছে ভ্রমণপ্রেমীদের।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রেজু ব্রিজ সংলগ্ন খালে দেখা যাচ্ছে পর্যটকদের ভিড়। ছোট ছোট কায়াকে ভেসে তারা উপভোগ করছেন নোনাজল, চারপাশের সবুজ পাহাড় আর সমুদ্রবাতাসের অনন্য সমন্বয়। পানির ওপর ভেসে থাকার এই অভিজ্ঞতা যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনি এনে দিচ্ছে মানসিক প্রশান্তিও।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক জুয়েল জানান, কায়াকিং শুধু বিনোদন নয়, এটি মানসিকভাবে সতেজ হওয়ারও একটি ভালো মাধ্যম। আরেক দর্শনার্থী বলেন, তীব্র গরম থাকলেও পানির মাঝে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই ভ্রমণ মুহূর্তগুলো দারুণ উপভোগ্য।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, গরম মৌসুমেও কায়াকিংয়ের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় পর্যটক উপস্থিতি কমেনি। বরং নতুন এই আকর্ষণ তাদের আয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অনেকে এখন কায়াকিংকে কেন্দ্র করে ছোটখাটো ব্যবসাও শুরু করেছেন।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কক্সবাজারের প্রচলিত সৈকতভিত্তিক ভ্রমণের বাইরে এমন বিকল্প বিনোদন পর্যটন শিল্পকে আরও গতিশীল করছে। বিশেষ করে গরমের সময় যখন পর্যটক সংখ্যা কিছুটা কমে যায়, তখন এই ধরনের কার্যক্রম সেই ঘাটতি পূরণে সহায়ক হচ্ছে।