বিশ্বের ভ্রমণবান্ধব শহরের নতুন তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিঙ্গাপুর। নিরাপত্তা, সহজ ভিসা ব্যবস্থা, উন্নত পর্যটন তথ্যসেবা এবং ভ্রমণকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশের কারণে শহরটি প্রথম স্থান অর্জন করেছে। ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা লন্ডন বিশ্ব তালিকায় রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে।

ই-সিম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হোলাফ্লাই বিশ্বের ২০০টি শহরের ওপর পরিচালিত এক জরিপে এই তালিকা প্রকাশ করেছে। শহরগুলোকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, ভিসা নীতির উন্মুক্ততা, পর্যটকদের জন্য তথ্যসেবা এবং স্থানীয়দের ইংরেজি ভাষাজ্ঞানকে প্রধান সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

জরিপ অনুযায়ী, সিঙ্গাপুর নিরাপদ নগর পরিবেশ, কার্যকর পর্যটন অবকাঠামো এবং সহজ ভ্রমণসুবিধার কারণে বিশ্বের সবচেয়ে স্বাগতপূর্ণ শহরের স্বীকৃতি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য দেশটির উন্নত গণপরিবহন, সুসংগঠিত পর্যটন তথ্যকেন্দ্র এবং বিশ্বমানের আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থানও এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ইউরোপের শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন। বিশ্ব তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা শহরটি আন্তর্জাতিক পর্যটনের অন্যতম প্রধান গন্তব্য। ঐতিহাসিক স্থাপনা, জাদুঘর, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা লন্ডনকে ভ্রমণকারীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

জরিপে ইউরোপের আরও কয়েকটি শহর ভালো অবস্থান পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন ও আরহুস, নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ, উট্রেখট ও আমস্টারডাম, যুক্তরাজ্যের এডিনবরা এবং চেকিয়ার প্রাগ ও ব্রনো। বিশ্বের সবচেয়ে স্বাগতপূর্ণ ২০টি শহরের তালিকায় ইউরোপের মোট ৯টি শহর স্থান করে নিয়েছে।

পর্যটন বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপত্তা, সহজ প্রবেশনীতি, নির্ভরযোগ্য তথ্যসেবা এবং পর্যটকবান্ধব পরিবেশ এখন আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের গন্তব্য নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। ফলে এসব ক্ষেত্রে উন্নত শহরগুলো বৈশ্বিক পর্যটন বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে।

বিশ্বের সবচেয়ে স্বাগতপূর্ণ শীর্ষ ১০ শহর

১. সিঙ্গাপুর
২. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
৩. সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
৪. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
৫. বোস্টন, যুক্তরাষ্ট্র
৬. পেনাং দ্বীপ, মালয়েশিয়া
৭. দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস
৮. হংকং
৯. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
১০. আরহুস, ডেনমার্ক

তথ্যসূত্র: ইউরোনিউজ