কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ব্যস্ততা থেকে কিছুটা আড়ালে প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটাতে চাইছেন পর্যটকেরা। ঝাউগাছের সারি, নীল জলরাশি ও সাগরের বাতাসের সমন্বয়ে শৈবাল সৈকত হয়ে উঠেছে এমনই একটি আকর্ষণীয় স্থান। ঢেউ দেখা, ছায়ায় বসে সময় কাটানো কিংবা বিকেলের আবহ উপভোগ করতে এখানে ভিড় করছেন অনেক দর্শনার্থী।
শৈবাল সৈকতের ঝাউগাছের ফাঁক দিয়ে দেখা যায় সাগরের ঢেউ। গাছের ছায়া ও সমুদ্রের বাতাস মিলে তৈরি হয় তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ। মূল সৈকতের ব্যস্ততা ও কোলাহল এড়িয়ে যারা একটু নিরিবিলি সময় কাটাতে চান, তাদের কাছে জায়গাটি বিশেষভাবে আকর্ষণীয়।
কক্সবাজারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে শৈবাল একটি পরিচিত সৈকত পয়েন্ট। পর্যটন মৌসুম ও ছুটির দিনে লাবণী, সুগন্ধা ও শৈবাল পয়েন্টসহ সৈকতের বিভিন্ন অংশে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পর্যটকের সমাগম হয়।
স্থানীয় পর্যটক আবদুল্লাহ বলেন, বিকেলে শৈবাল সৈকতে সময় কাটাতে তার ভালো লাগে। “ঝাউগাছের সারি আর সাগর মিলে জায়গাটির আলাদা একটা সৌন্দর্য তৈরি করেছে। বিকেল কাটানোর জন্য এটি সুন্দর একটি জায়গা,” বলেন তিনি।
কক্সবাজারের দীর্ঘ প্রাকৃতিক বালুকাবেলা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ। সরকারি পর্যটনসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের সৈকত প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং মৃদু ঢালু বালুকাবেলার জন্য পরিচিত।
পর্যটক রোহান বলেন, “ঝাউগাছ আর সাগর একসঙ্গে এখানে খুব সুন্দর লাগে। এই পরিবেশে সময় কাটালে স্বস্তি লাগে। সুযোগ পেলে আবার আসতে চাই।”
প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য শৈবাল সৈকতের আকর্ষণ শুধু সমুদ্র দেখায় সীমাবদ্ধ নয়। ঝাউবাগান, খোলা বালুচর ও সমুদ্রের বাতাস মিলিয়ে এখানে প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর সুযোগ রয়েছে। তবে সৈকতে ভ্রমণের সময় জোয়ার-ভাটা ও সমুদ্রের অবস্থা সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি।